১। নীরবে জ্বলছে শান্ত আগুনে,গলছে সমুখে সবার।তবু সে আলোয় প্রেমে পড়ে কেউ,খবর রাখেনা নেভার।যে জ্বলে সে জ্বলে উফফ করে না তো,নীরবেই আলো দেয়,যে হাসে আলোতে মাতে উল্লাসেতার কিবা আসে যায়।যে আঁচল আজ দর্পে ওরাওসোহাগ যায় না বাঁধা,হায় রুক্মিণী সোহাগ কি বোঝো ?সোহাগ তো জানে রাধা…তুমি চুপিসারে কতো অন্তরেরাসলীলা করে চলো,তোমার ও রূপ কজনই বা জানে,মিছেContinue reading “কথা ও কবিতা”
Author Archives: shobdothemag
অসুর
আমাদের সবার মধ্যে নাকি একটা অসুর আছে। অসুরটাকে মাটি চাপা দিয়ে রাখতে হয়। একটু সাবধানে থাকতে হয় যাতে অসুরটা জেগে না উঠতে পারে। খানিক সুযোগ পেলেই ফাঁকফোকর গলে অসুরটা মাটি ফুঁড়ে উঠে দাঁড়ায়। তারপর সর্বনাশী ঘূর্ণিঝড়ের মতন তান্ডব চালায়, আছড়ে-পিছরে ফেলে দেয় আশপাশের সবকিছু। আবার, এভাবে নষ্টের খেলা খেলতে খেলতে একটা সময় দম ফুরিয়ে শেষContinue reading “অসুর”
কলকাতার ভূতের ঝাঁপি
বাংলা সাহিত্যে ভূতের গল্পের ভাণ্ডার অপরিসীম। বিশেষত শিশু ও কিশোর সাহিত্য সাম্রাজ্যে।আর এই ভুতের গল্পগুলোর উৎস কিন্তু আসলে তথাকথিত “সত্যি ঘটনা”, মানুষের দৈনন্দিন জীবনে ঘটে যাওয়া খুঁটিনাটি ঘটনাগুলির মাঝে হঠাৎ কোন ব্যাখ্যাহীন, গা-ছমছমে অভিজ্ঞতাই এই সব কাহিনীর সম্বল, যার সঙ্গে মিশে যায় লেখকের কল্পনাশক্তি। এসব ঘটনা কি আদৌ ‘সত্যি’ – এ বিষয়ে তর্ক-বিতর্কের শেষ নেই।Continue reading “কলকাতার ভূতের ঝাঁপি”
চাহনি!
ভিন্ন আমি,ভিন্ন তুমিভিন্ন এ সমাজশুধু ভিন্ন নয় দৃষ্টিভঙ্গিএকই রয়ে যায়।যুগের পরে যুগ কেটে যায়চাহনি একই রয়,এসব একচোখামিরেই নাকিলোকে সমাজ স্বজন কয়।মুচির ছেলে মুচিই হবেচাষার ছেলে চাষা,উন্নত এই সমাজ সভেওদের, চাটতে হবে পা।যাদের ছাড়া পা চলে নাতাদের ওপর রোয়াপ ঝারে,নিজের পেটে লাথি মেরেচাষার ওপর ক্ষোভে মরে।চাষা যদি লাঙ্গল ফেলেআফিসেতে যায়চাকুরে বেতার – জুটবে কি ভাত?সে, নাContinue reading “চাহনি!”
দুঃসময়
ওরা কেষ্টের জীব। বেইমানি, বিশ্বাসঘাতকতা জানে না। তাই মরণের ভয়ে ঘরে সেঁধিয়ে থাকতে হয় না। বুঝেছো?
একটা সাধারণ চিঠি
প্রিয় ম্যাম, প্রথমেই বলে দিই যে চিঠি লেখাটা আমার আসে না, কারণ দরকার পড়েনি কোনোদিন লেখার। বাংলা পরীক্ষার প্রশ্নপত্রের- “তোমার মাধ্যমিক পরীক্ষার প্রস্তুতি কেমন চলছে তা জানিয়ে তোমার বন্ধুকে একটি চিঠি লেখ” জাতীয় চিঠির বিষয়টা আলাদা। পরীক্ষার হলে এতগুলো নম্বরের প্রশ্ন তো আর ছেড়ে আসা যায় না! তাই লিখতে হয় বাধ্য হয়ে। পড়াশোনা বাদContinue reading “একটা সাধারণ চিঠি”
সামাজিকভাবে নিকট: শারীরিকভাবে দূরে
বর্তমানে আমরা সবাই এক অদ্ভুত পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে চলেছি। এমন এক পরিস্থিতি হয়ত দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পরে মানবসমাজ আর দেখেনি। আমরা এটা মেনে নিতে পারছি না, আবার মেনে না নিয়েও কোনো উপায় নেই। কোভিড-১৯ মানুষের জীবন-জীবিকা, এমনকি তার অস্তিত্ব পর্যন্ত বিপন্ন করে তুলেছে। করোনা এখন আর কেবলমাত্র একটি ব্যাধি নয়, এটা এখন আমাদের জীবনযাত্রার দিক নির্ণায়ক।Continue reading “সামাজিকভাবে নিকট: শারীরিকভাবে দূরে”
শব্দ
কোনো শব্দ শুনতে পেলে? পূজোর শব্দ? ঢাক, কাঁসর ঘন্টা, টিনের বন্দুকে ক্যাপ ফাটানোর শব্দ? মন্ত্রোচ্চারণের শব্দ শুনতে পেলে? শুনতে পেলে, ঘন্টার শব্দ? চন্ডীপাঠ হচ্ছে শুনতে পেলে? আমি কিচ্ছু শুনতে পাচ্ছি না। অনেক দূরে কেউ যেন কাঁদছে। একটা ছোট্টো মেয়ে। তার পড়নে লাল পেড়ে সাদা শাড়ী। ডাগর ডাগর চোখ। চোখ ভর্তি জল আর জল ভর্তি দুঃখ।Continue reading “শব্দ”
দুর্গা পূজা – সেবছর, এবছর আর আগামী বছর!
শিক্ষাবীদ শ্রী সন্দীপ বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁর বক্তব্যে তুলে ধরলেন প্রাচীনকালের দুর্গা পূজার ইতিহাস, শোনালেন এ বছরের ভিন্নভাবে পালন করার কাহিনী আর রেখে গেলেন এক রাশ আশার বাণী আগামী বছরের জন্য। শব্দ-র তরফ থেকে সকলকে জানাই শারদীয়ার শুভেচ্ছা।
উৎসব কালে
এমনটা হয় দূর্গা পূজা মানেশরৎ-এর নীল আকাশহালকা মৃদু বাতাস || দূর্গা পূজা মানেকাশ বন দেখে ভরে ওঠে মন || দূর্গা পূজা মানে শিউলি ফুলের গন্ধ স্কুল কলেজ সব বন্ধ || দূর্গা পূজা মানে সপ্তমীতে সবাই একসাথে গল্প করা কটা দিন থাকনা বন্ধ পড়া || দূর্গা পূজা মানে অষ্টমীর সকালে অঞ্জলির সাজ সন্ধ্যায় ঢাকের তালে ধুনুচি নাচ || দূর্গা পূজা মানেনবমীতে খিচুড়ি ভোগ, সন্ধে আরতি দল বেঁধে ঠাকুর দেখা সারা রাত্রি || দূর্গা পূজা মানেদশমীতে লাল পেড়ে শাড়ী পরে সিঁদুর খেলা সময়ে বলছে, এখন যে বিসর্জনের বেলা || দূর্গা পূজা মানেমন দুঃখে ভরেআবার আসবে মা, একটি বছর পরে || তবে এমনটাও হয় ঝোড়ো হাওয়ায় দুলছে গাছের পাতাচড়ুই পাখিরা দানা মেলে ফিরেছে বাড়িচারিদিক ছেয়ে এসেছে কালো ঘন মেঘ ,দূরে যেন সব কিছু ঝাপসা |যদি বৃষ্টি নামেকান পাতবো তোমার গায়েশুনবো আবার তোমার কথা |সেজেছে সাত-রং মাখা রঙিন আকাশ আবারও যদি বৃষ্টি আসে বিকেলবেলায়খুঁজে নেবো আকাশের ঠিকানাContinue reading “উৎসব কালে”
