দুর্গা পূজা – সেবছর, এবছর আর আগামী বছর!

শিক্ষাবীদ শ্রী সন্দীপ বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁর বক্তব্যে তুলে ধরলেন প্রাচীনকালের দুর্গা পূজার ইতিহাস, শোনালেন এ বছরের ভিন্নভাবে পালন করার কাহিনী আর রেখে গেলেন এক রাশ আশার বাণী আগামী বছরের জন্য। শব্দ-র তরফ থেকে সকলকে জানাই শারদীয়ার শুভেচ্ছা।

উৎসব কালে

এমনটা হয় দূর্গা পূজা মানেশরৎ-এর নীল আকাশহালকা মৃদু বাতাস || দূর্গা পূজা মানেকাশ বন দেখে ভরে ওঠে মন || দূর্গা পূজা মানে  শিউলি ফুলের গন্ধ  স্কুল কলেজ সব বন্ধ || দূর্গা পূজা মানে  সপ্তমীতে সবাই একসাথে গল্প করা কটা দিন থাকনা বন্ধ পড়া || দূর্গা পূজা মানে  অষ্টমীর সকালে অঞ্জলির সাজ সন্ধ্যায় ঢাকের তালে ধুনুচি নাচ ||   দূর্গা পূজা মানেনবমীতে খিচুড়ি ভোগ, সন্ধে আরতি দল বেঁধে ঠাকুর দেখা সারা রাত্রি ||  দূর্গা পূজা মানেদশমীতে লাল পেড়ে শাড়ী পরে সিঁদুর খেলা সময়ে বলছে, এখন যে বিসর্জনের বেলা || দূর্গা পূজা মানেমন দুঃখে ভরেআবার আসবে মা, একটি বছর পরে ||  তবে এমনটাও হয় ঝোড়ো হাওয়ায় দুলছে গাছের পাতাচড়ুই পাখিরা দানা মেলে ফিরেছে বাড়িচারিদিক ছেয়ে এসেছে কালো ঘন মেঘ ,দূরে যেন সব কিছু ঝাপসা |যদি বৃষ্টি নামেকান পাতবো তোমার গায়েশুনবো আবার তোমার কথা |সেজেছে সাত-রং মাখা রঙিন আকাশ আবারও যদি বৃষ্টি আসে বিকেলবেলায়খুঁজে নেবো আকাশের ঠিকানাContinue reading “উৎসব কালে”

প্রবাসের পুজো

সারা বছরের যত দুঃখ, বিষাদ আর অবসাদ যেন এই কদিনের জন্যে পাশে সরিয়ে রেখে মায়ের আগমনে মেতে ওঠা। যারা পশ্চিমবঙ্গে থাকেন, তারা এই আনন্দের বহিঃপ্রকাশটা তাদের পরিবেশে রোজ দেখতে পারেন। চারিদিকে পুজোর হোর্ডিং, দোকানে দোকানে মানুষের ভিড়, কুমোরটুলিতে সারিবদ্ধ প্রতিমা আর পাড়ায় পাড়ায় বাঁশ বাঁধা প্যান্ডেলের কাঠামোগুলো মনে করিয়ে দেয় যে পুজো আসছে। কিন্তু প্রবাসী বাঙালিদের এই আনন্দের ভাবটা মনের ভেতরেই সিঞ্চন করতে হয়।

প্যারাসিটামল

টেন্টের সামনে দাঁড়িয়ে আকাশ দেখছিল আনজুম। এমন ধুলোহীন নির্মল নীলাকাশ তাদের কলকাতা শহরে সে কেন, তার বাপ ঠাকুরদ্দাও দেখেনি কোনোদিন। যতদূর চোখ যায় কেবল সুউচ্চ পর্বতচূড়ার দল সগর্বে মাথা তুলে বিরাজমান। দূরের পাহাড়গুলোর মাথা সবই সাদা, আর কাছেরগুলো চোখ জোড়ানো সবুজ। সবুজের গায়ে জায়গায় জায়গায় চোখে পড়বে আগুনরঙা লালের ছোপ।