পটলার ভাঙল স্বপ্ন

পটলার শরীরটা একদম চ্যাপ্টা গোছের। বেঁটে, শক্ত-পোক্ত, আর গায়ে প্রবল শক্তি। অনেক ছোটবেলায় ওর মামা একদিন ওর মাকে বলেছিল – দিদি, পটলা দেখবি একদিন ভালো ফুটবল খেলবে।

পটলারা বড় পরিবার – অন্তত এক সময় ছিল। বাবা একটা ছোট দোকান খুলে ব্যবসা শুরু করেছিল, কিন্তু কয়েক বছর পর বাবা হঠাৎ করেই মারা গেল। মা আর ছোট পটলা একদম জলে পড়ল। জমানো কিছু ছিল, তাই দিয়ে কিছুদিন চলল বটে। কিন্তু সে কি বেশিদিন চলতে পারে? টাকা শেষ হয়ে এলে পটলার মা বাসন মাজা আর রান্না করার কাজ নিল। বড় বাড়ির বউ, মান সম্মান সব জলাঞ্জলি দিতে একটু কষ্ট হল ঠিকই। কিন্তু কি আর করত? ছেলেটাকে মানুষ তো করতে হবে!

পটলাটা মাথামোটা গোছের ছিল। পড়াশুনোয় একটুও মাথা ছিল না। স্কুল যেত মা জোর করে পাঠাত বলে। পড়াশুনো কিছু বুঝত না, ক্লাস এ ফ্যাল ফ্যাল করে চেয়ে থাকত। কিন্তু, এহেন পটলা যখন পায়ে বল নিয়ে মাঠে নামত তখন আর ওকে দেখে কে! মারাদোনার মত ছোট চেহারা নিয়ে চন-চন করে ছুটতে পারত। কথায় বলে, রক্ত বেইমানি করে না। পটলা জেনেটিকালি স্পোর্টসম্যান! বাবা-মা দু-দিক থেকেই জন্মগত পেয়েছিল।

গ্রামে একটা ক্লাব ছিল, ওখানেই খেলত পটলা। এছাড়া স্কুলের টিমে তো স্টার প্লেয়ার ছিলই।  ক্লাবের ছেলেরা পটলাকে খুব ভালবাসত। ও ফরওয়ার্ড খেলত। বল বানাত। উইং দিয়ে খুব ভালো দৌড়ত, মাঝ মাঠ থেকে খুব তাড়াতাড়ি উপরে উঠে আসতে পারত। তারপর ক্রস করত একদম স্ট্রাইকারের মাথায় – নিপুণ ক্রস। একদম এক চুল এদিক ওদিক হত না। এমন মাপ! একটা ম্যাচে অন্তত পাঁচ ছটা তো করতই।

মাঝ-মাঠে খেলাটা কন্ট্রোল করতেও পটলার জুরি মেলা ভার। ছোট ছোট পাসে খেলত। ড্রিবল ভালো করতে পারত। সব চেয়ে ভালো ব্যাপার হল, পটলা নিজে খেলা বানাত। পাস তৈরি করত, অনেকক্ষণ পর্যন্ত বল ধরে রাখতে পারত নিজেদের কাছে। ট্যাকল সাধারণত ভালোভাবেই সামলে দিত। আসলে, পটলাকে ট্যাকল করা অত সহজ ছিল না।

ক্লাবের কোচ জগুদা একদিন পটলাকে প্র্যাকটিসের পর ক্লাবে নিজের ঘরে ডাকল।

“পটলা, তুই খুব ভালো খেলছিস। অনেক ম্যাচিওর করেছিস। কলকাতায় যা।“

“পারবো না জগুদা, কলকাতা অনেক বড় ব্যাপার।“

“আরে ওসব কিছু না, আমার চেনা লোক আছে বাগুইয়াটি স্পোর্টিং ক্লাবে, ওরা নতুন প্লেয়ার খুঁজছে। আমার নাম গিয়ে বলবি। কাজ হয়ে যাবে।“

“ওখানে থাকতে হবে?”

“সে বন্দোবস্তও হয়ে যাবে, চিন্তা করিস না। ওখানে একটা স্কুলের সাথেও আমি কথা বলে রেখেছি, তোর কোন অসুবিধে হওয়ার কথা নয়।“

“আমি সেন্টার ফরওয়ার্ড খেলতে পারবো? এখানে যেমন খেলি?”

“হুম, পারবি। তবে, ওখানে কম্পিটিশন বেশী, মাথায় রাখবি।“

মায়ের খুব মন খারাপ হল, হাজার হোক একটাই ছেলে তো! কিছুতেই মেনে নিতে পারল না – সাধের পটলা, একমাত্র সবে ধন নীলমণি কলকাতা চলে যাবে? মা তবে কি নিয়ে থাকবে?

পটলা এমনিতে খুব একটা ইমোশনাল কোনদিনই না, মায়ের দুঃখ খুব একটা বুঝতে পারল না। জগুদাকে কেবল একবার বলল, “মা কাঁদছিল।“

জগুদা আর কি বলবে, খানিক ভেবে বলল, “কলকাতা গিয়ে মাকে ভুলে যাস না যেন, মাকে ফোন করিস। এখন তো মোবাইলের যুগ, দিনে অন্তত একবার ফোন করে খবর নিবি। মাসীমার ভালো লাগবে।“

“করবো জগুদা,“ এই বলে পটলা ট্রেন ধরল কলকাতার।

কলকাতা পৌঁছে পটলা গেল বাগুইয়াটি। জগুদার বন্ধু সোনাদার সাথে দেখা করল।

সোনাদার কাছে আগেই খবর গিয়েছিল, জানত পটলা আসবে। খাতির, যত্ন করল ভালোই।

“জগুর খুব ট্যালেন্ট ছিল, কিন্তু পেটের তাগিদে চাকরি নিতে হলো। খেলা চালিয়ে যেতে পারলো না। অনেক বললাম, থেকে যা কলকাতায়। আমি তো আছি। দুই বন্ধু খেলবো, দাঁড়িয়ে যাবো একদিন। তারপর ময়দান কাঁপাবো। এযুগের কৃশানু-বিকাশ হবো, দেখিয়ে দেবো।“

“তুমি জগুদাকে অনেক দিন চেনো?”

“একদম হাফ প্যান্টের বন্ধু, ওর মামার বাড়ি তো আমাদের পাড়ায়, এখানে এলেই আমার সঙ্গে সময় কাটাতো।“

“জগুদা আমাদের সবার খুব প্রিয় কোচ।“

“হ্যাঁ, জানি তো। ও খুব বড় জাতের প্লেয়ার ছিল রে। কিন্তু ঐ যে বললাম, গ্রাম ছেড়ে চলে আসতে পারলো না।“

“আমি সেন্টার ফরওয়ার্ড খেলতে পারবো সোনাদা?”

“হ্যাঁ, পারবি।“

প্রথম দিনের প্র্যাকটিসের অভিজ্ঞতা খুব যে একটা ভালো হল তা বলা যায় না। সোনাদা পটলাকে সবার সাথে আলাপ করিয়ে বলল, “খুব ভালো পা, আমাদের সাথে খেলবে। সবাই মিলে-জুলে মাঝ মাঠে পটলাকে সাহায্য করবি। তারপর ও খেলা বানিয়ে নেবে।“

সোনাদা পটলাকে ‘ইন একশন’ দেখেছিল। ওদের গ্রামেই একবার একটা ম্যাচে। পটলা জানত না যদিও।

সোনাদার ইচ্ছা সত্ত্বেও টীমের বাকিরা পটলাকে খুব একটা পাত্তা দিল না। নিজেদের মধ্যে পাস দেওয়া নেওয়া করল, পটলাও যে আছে দলে তাতে ওদের কিছু এল গেল না। সোনাদা প্র্যাকটিস থামিয়ে সবাইকে আর একবার বলল, “এটা কিন্তু টীম গেম, মনে রাখবি।“

কাজ কিছু হল না।

বাঁ পায়ে প্রচুর খেলা ছিল পটলার। লম্বা পাস চেষ্টা করল, কিন্তু ওপরে কেউ উঠল না। কিরকম একটা অ্যাপাথি!

ছোট ট্যাকল দুর্দান্ত সামলাত পটলা। কিন্তু বেঁটে আর ছোটোখাটো বলে একটু সমস্যা ছিল – বেশী জায়গা তৈরি করতে পারত না। আর, যদি লম্বা কেউ সামনে থেকে ট্যাকল করে দিত, পটলা ব্যাল্যান্স হারিয়ে ফেলত খুব তাড়াতাড়ি।

“ট্যাকল নিয়ে একটু ভাবতে হবে পটলা, না হলে সব ঠিক আছে।“

“খুব একটা বল বানাতে পারলাম না আজ, সোনাদা।“

“ও ঠিক আছে, ম্যাচে সব ঠিক হয়ে যাবে। বাকিরা তোকে চেনে না তো এখনও – এই জন্যে। আর আজ তো কেবল একটা প্র্যাকটিস সেশন হল, এর পরে আরও অনেক হবে, দেখবি দারুণ আন্ডারস্ট্যান্ডিং হয়ে যাবে।“

“ম্যাচ খেলবো?”

“হ্যাঁ খেলবি।“

“কবে?”

“দু সপ্তাহ পরে, যোগীন্দ্র স্মৃতি সঙ্ঘের সাথে। বেলেঘাটার খুব বড় ক্লাব।“

খেলার দিন এগিয়ে এল, কিন্তু সমন্বয় তৈরি হল না।

স্ট্রাইকারটার নাম শিবু পোদ্দার। আর সেন্টার ব্যাক অমিয় পাল। এই দুটো হল পালের গোদা। কিছুতেই মেনে নিতে পারল না কোন এক অজ গ্রামের কোন এক অজানা পরিবারের ছেলে কলকাতায় এসে নাম করে যাবে। মানুষ যে কবে থেকে হিংসে করতে শিখল! আর, কেনই বা শিখল!

পটলা ভালোমানুষ ছিল। বুঝত না। প্রথম প্রথম চেষ্টা করল মেশার। সিগারেট বিড়ি দিয়ে, একটু আধটু গল্প গুজব করে যদি মন জেতা যায়। হল না।

প্র্যাকটিস হত, কিন্তু ওকে কেউ বল দিত না। ও অনেক চেষ্টা করে বল কেড়ে মাঝ মাঠে খেলাটা নিয়ন্ত্রণ করার চেষ্টা করত। কিন্তু একবার বল পা থেকে চলে গেলে আর ফিরে আসত না সহজে। নিজের দলের, মানে প্র্যাকটিসের দলের বাকিরা সবাই অমিয়-শিবুর ভয়ে কেঁচো।

সোনাদা ফরওয়ার্ডের ভক্ত, নিজেও ঐ পজিশনেই খেলত। বকাবকি করেও কিছু করতে পারল না।

“একটা ম্যাচ খেলে নে, তারপর তোকে অন্য ক্লাবে পাঠিয়ে দেবো। এখানের এই পলিটিক্স তোর জন্য নয়।“ সোনাদা পরিষ্কার জানিয়ে দিল পটলাকে।

“আচ্ছা।“ পটলা কিই বা বলত!

“তবে, ম্যাচের দিনে একটা সুবিধে তুই পাবি। অন্য দলের প্লেয়ারদের থেকে তোকে বল ছিনিয়ে নিতে হবে, নিজের দলের ছেলেদের থেকে নয়।“ সোনাদার কথায় পটলা কিছুটা আশ্বস্ত হল।

পটলা বড় পরিবারে ছেলে, জেদ চেপে রাখল। মনে মনে বলল, “ম্যাচের দিন আসুক, দেখিয়ে দেবো।“

ম্যাচের দিন এল। শুরু হল খেলা। পটলা মাঝ মাঠ কাঁপাতে লাগল। ঝুঁকে পরে ড্রিবল করে একের পর এক বল তৈরি করল। স্বরূপ নামে একটা উইঙ্গার ছিল, দুজনে যেন যুগলবন্দী শুরু করে দিল। মাঝে মাঝে নিজেও বাঁ দিকের উয়িঙ্গে উঠল, কর্নার পেল দুটো। দারুণ পাস সত্ত্বেও গোল হল না। শিবুর এক প্রকার ঢিলেমির জন্য। যাই হোক, প্রথম হাফ গোলশূন্য রইল।

দলের বাকিরা বুঝল, হবে না ঢিলেমি দিলে। পটলা টপ ফর্মে। ওকে সাপোর্ট করাই ভালো। স্যাবোটেজ করে লাভ নেই – পটলা লম্বা রেসের ঘোড়া, অনেক দূর যাবে।

দ্বিতীয়ার্ধেও সেই একই গতি। বিরোধী দলেরও কয়েকটা আক্রমণ বাঁচাল পটলা। অমিয় যে বিরাট প্লেয়ার নয় বোঝা গেল। পটলা একটা ওয়ান টু ওয়ান সিচুয়েশান থেকে নিশ্চিত গোল বাঁচাল। গোলকিপারেরও অবশ্য অবদান ছিল।

সোনাদা ক্লাবের প্রেসিডেন্টের পাশে বসে ছিল। প্রেসিডেন্ট নিরুপমবাবু বললেন, “দারুণ ছেলে এনেছো। এ তো ভবিষ্যতের ক্যাপ্টেন! ছেড়োনা একে কখনো।”

৮৫ মিনিটের মাথায় পটলা বাঁদিকের উইঙ্গ থেকে একটা বল ক্রস করল। বাবাই বলে একজন ছিল, ওর পায়ে মাপ করে দেওয়া বলটা এসে পড়ল। ডান পায়ের টোকায় বাবাই বলটা এগিয়ে দিল শিবুকে। সামনে তিনজন এসে পড়ল মার্ক করতে। শিবু ডান দিকে লম্বা পাস দিল অশ্বিনীকে। অশ্বিনী ব্যাকে খেলত, কিন্তু সুযোগ দেখে উঠে এসেছিল। অশ্বিনী আবার উঁচু পাস বাড়াল গোলের সামনে। বলটা ভেসে উঠল। ক্ষিপ্ত, তীব্র বাঘের বাচ্চার মত পটলা ছুটে উঠে এল গোলের মুখে। দুটো লম্বা ডিফেন্ডারকে ভেদ করে মাথার বাঁদিকের অংশে বলটা ছোঁয়াল। গোলকিপার তখন উল্টোদিকে ডাইভ করেছে। ফাঁকা গোল ওর মাথা থেকে বলটা যেন আদর করে কাছে টেনে নিল। ১-০!

গ্যালারির দর্শকরা সবাই হই হই করে উঠল। বাগুইয়াটি ক্লাবের ইতিহাসে অনেক জয় এসেছে, অনেক বড় প্লেয়ার এসেছে – গেছে, অনেক ভালো মুহূর্ত তৈরি হয়েছে। কিন্তু এরকম গোল? নাহ, অনেক ভেবেও খুঁজে বের করা মুশকিল! প্রবল পরাক্রমশালী বেলেঘাটা ক্লাবের ডিফেন্ডাররা তো পুরো থ! এত জোরে যে কেউ দৌড়ে আসতে পারবে ভাবতে পারে নি।

পটলা কিন্তু ততক্ষণে মাটিতে। একদিক ঘাড় কাত করে অনেকটা উঁচু থেকে নিচে পড়ে গিয়ে কাতরাচ্ছে। ট্যাকলটাও টাফ ছিল। সঙ্গে সঙ্গে রেফারি খেলা বন্ধের নির্দেশ দিল। ক্লাবের খেলায় আর কত ফার্স্ট এইড থাকবে? যতটা পারা যায় করা হল। পটলাকে নার্সিংহোমে নিয়ে যাওয়া হল। শেষ রক্ষা হল না – ডাক্তার জানিয়ে দিল, কলার বোন ফ্র্যাকচার!

……

…।

“না, না, না, আমি আবার খেলবো, আমি আবার খেলবো।“ খবরটা সোনাদার কাছে শুনে পটলা চিৎকার করে বলে উঠল। জীবনের একটা সুন্দর অধ্যায় এভাবেই শেষ হয়ে যাবে? কত কষ্ট করে এতদূর উঠে আসা তার! মায়ের কথা মনে পড়ল।

অপারেশনের জন্য ক্লাব কিছু সাহায্য করল না। করতে পারত, করল না। সোনাদা চেষ্টা করেছিল, কিন্তু হল না। ম্যাচ জেতা হয়ে গেছে, ভালো ফলের সুবাদে পরের ডিভিশনে ওঠার হাতছানি। নতুন প্লেয়ার, বড় প্লেয়ার খোঁজা বেশী জরুরী। কে কোন এক পটলা, কোন এক এঁদো গ্রামের কোন এক কালোয়াত! ওরকম কত পটলা আসে যায়!

সাইলেন্ট ট্রিটমেন্ট এক ধরনের ছিল, তা করা হল। কিন্তু তাতে ফল বিশেষ হল না। পটলা আর পুরনো ছন্দ ফিরে পেল না।

—–

—-

শো শেষ হল। হলে উপস্থিত সবাই হাততালি দিল।

ডিরেক্টর সাহেব হাল্কা হাসি দিলেন, বাকি কলাকুশলীরাও বেশ খুশি। দর্শকদের মনে ধরেছে।

সোনাদা ডিরেক্টর সাহেবের কাছে এগিয়ে এলেন। জিজ্ঞেস করলেন, “পার্টটা ঠিক করতে পেরেছে ছেলেটি?”

ডিরেক্টর বললেন, “হ্যাঁ, ঠিকই আছে।“

“যাক, নিশ্চিন্ত হলাম। অনেক বছর পরে একটা প্রায়শ্চিত্ত করতে পারলাম।“ আপন মনে বিড়বিড় করল সোনাদা। মনে মনে ভাবল, পটলার মত কত পটলাই কত ক্লাবে আসে যায়, সব পটলাদের নিয়ে তো আর সিনেমা হয় না। সেদিক থেকে এই পটলা ভাগ্যবান। কপাল করেছিল বটে!

এক সময় বিভিন্ন ক্লাবে অনেক আশা জাগিয়েও যে প্রতিভারা শেষমেশ কিছু করে উঠতে পারে নি তাঁদের নিয়ে ওয়েব-সিরিজ তৈরি হচ্ছে। এটা তারই একটা পর্ব। কিছু অংশ ন্যারেশন, বাকিটা ড্রামা।

আসল পটলা এখন একটা ষ্টেশনারী দোকান চালায়। আসেনি দেখতে। আমন্ত্রণ পেয়েছিল, তবু আসেনি। কপালকে দোষ দেয়। পোড়া কপাল? না, কিন্তু ঐ কপালের জোরেই যে সেই গোল হয়েছিল একদিন! বা, বলা যেতে পারে কপালের ধাক্কায়। বাগুইয়াটি ক্লাবের ইতিহাসের অন্যতম সেরা গোল! আর সেই একটা গোল পটলার সব স্বপ্ন ভেঙে চুরমার করে দিলেও ক্লাবকে এক ধাপ এগিয়ে দিয়েছিল পরের ডিভিশনে উঠে আসার পথে। 

Annwesh Mukherjee
(annwesh.mukherjee@gmail.com)
Management & Technical Professional
Writer & Illustrator

11 thoughts on “পটলার ভাঙল স্বপ্ন

  1. Darun
    সত্যিই কতো স্বপ্ন মানুষের অতি ক্ষুদ্র কারণে ভেঙে যায়। সময়ের সাথে হারিয়ে যায় স্বপ্ন দেখা মানুষটিও।

    Like

    1. তোমার কাছ থেকে পাওয়া কমপ্লিমেন্ট অনেক বড় ব্যাপার! তুমি নিজে একজন লেখিকা, সেনসিটিভ, ক্রিয়েটিভ। আরও লেখা পড়তে চাই তোমার!

      Liked by 1 person

    1. তোর ভালো লেগেছে জেনে খুশী হলাম। খুব শক্ত সময় চলেছে। তার মাঝে একটু নস্ট্যালজিয়া। মনে আছে তুইও তো ফুটবল খেলতিস এক সময়।

      Liked by 1 person

  2. Raja, when we were chatting, we hovered on the topic of short stories and how they are like a good composition. The audience wants to listen to the harmony – the pitch, the tempo, the timbre, the texture – all of it. You ‘have to’ give it to your audience. It’s the same for a story and I felt my nerves soothing going through your composition 😉

    The reader expects to experience what he doesn’t expect. That’s the beauty of writing and you have given that to me as a reader. Beautiful 🙂

    Like

    1. গুঞ্জন, খুব ভালো লাগলো কমেন্টটা পড়ে। তুই হলি নিয়ার-পারফেকশানিস্ট। ছোটোগল্পের আনাচে, কানাচে হানা দিয়ে রসদ বার করে এনেছিস। লেখা এক আনন্দের কাজ, আর এরকম রিভিউ পাওয়া তাঁর থেকেও বেশী আনন্দের।

      Liked by 2 people

Leave a comment

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.