ভূমিকা
এভাবে কষ্ট পেওনা —
ভালোবেসে ফেলবো!
কাঁটাতার, সীমান্ত, চৌকাঠ ডিঙিয়ে,
ছুঁয়ে ফেলবো তোমার শহরের রাজপথ।
এভাবে মুখ ফিরিও না …
যন্ত্রনায় ঝড় উঠবে শহর জুড়ে,
সমূদ্রের ঘূর্ণাবর্তে তুমুল ঝড়ে।
জলোচ্ছ্বাস হবে নদীতে।
বাঁধ ভাঙে যদি..!!
এতোটাও চুপ করে যেও না।
তোমার নিস্তব্ধতায় তলিয়ে যাবে দিন রাত…
রাস্তায় দৈনন্দিন ব্যস্ততা থমকে যাবে।
আর বিরাট দূর্ঘটনা ঘটে যাবে।
তুমি চেয়ে আছ শুকনো চোখে,
গুমোট নিস্তব্ধ শহরের আনাচ কানাচ।
ঝড় ও থমকে গেছে তোমাকে দেখে,
তখন বৃষ্টি নামবে দেখো ঠিক,
বৃষ্টি নামবে,
তুমি না চাইলেও —
আমি না চাইলেও
বৃষ্টিতে ভেসে যাবে শহর–
তোমার চোখের পাতা —
বুভুক্ষু জীবন ভিজে যাচ্ছে তখন,
তোমার কথা শুনবে না কেউ ।
উপসংহার
শেষ বিকালে হঠাৎ বৃষ্টি এলো,
অসময়ে প্রেমের মতো।
তুমুল জ্বরের মতো।
ছাদের কার্নিশে,
পুরাতন ভালোবাসার কবিতা হয়ে,
বৃষ্টি দেখতে গিয়ে জং ধরা আগলে আঁচলটা গেল আটকে।
বৃষ্টিও সেই সুযোগে ভিজিয়ে দিল এলো খোঁপা।
তুমি বললে, মুছে ফেলো,
আমি বললাম, একটু থাকো।।
রচনা – সঞ্চারী বিশ্বাস
