১।
নীরবে জ্বলছে শান্ত আগুনে,
গলছে সমুখে সবার।
তবু সে আলোয় প্রেমে পড়ে কেউ,
খবর রাখেনা নেভার।
যে জ্বলে সে জ্বলে উফফ করে না তো,
নীরবেই আলো দেয়,
যে হাসে আলোতে মাতে উল্লাসে
তার কিবা আসে যায়।
যে আঁচল আজ দর্পে ওরাও
সোহাগ যায় না বাঁধা,
হায় রুক্মিণী সোহাগ কি বোঝো ?
সোহাগ তো জানে রাধা…
তুমি চুপিসারে কতো অন্তরে
রাসলীলা করে চলো,
তোমার ও রূপ কজনই বা জানে,
মিছে “ভালোবাসি” বলো !
২।
যখন তোর আকাশ কাঁদে,
তখন তুই শব্দ শুনিস
জল মাখিস না মোটে ।
আলতো হাতে ছোঁয়া স্বপ্নগুলো
অতীত ফেলে বর্তমানে ছোটে ।
যখন তোর চেনা সুর নতুন করে অচেনার রং মাখে,
তখন আকাশ, বিশাল সুনামি বুকে নিয়ে, তোর বুকই খুঁজে বেড়ায় ।
তোর থেকেও না-থাকা
বা, না-থেকেও থেকে যাওয়ার মাঝে ।
মেঘের চূড়া ডিঙিয়ে ওঠে মেঘ,
বর্ষা একা কান্না ভেজা চোখে ।
থাকলো সেসব অতীত কথা হয়ে
তোর আর আমার বুকের গভীর ঘরে ।
অভিমানের কয়েক পশলা হাওয়া
লাগলো এসে সদ্য ভেজা চোখে ।
বর্ষা সে তো ভীষণ অভিমানী
বিন্দু হয়ে পড়লো ঝড়ে বুকে ।
Author – Sangita Chatterjee

